Blog

সুপ্রভাত

আমিও দেখেছি সকাল কি করে হয়।
রাত্রির নিস্তব্ধতার বেলুনে পাখির মুখর ঠোঁট কি করে সুঁই ফুটিয়ে দেয়।
ঘুম পাড়ানি মাসি পিসির মতো ঘুম ভাঙানো মেসোমশাই কাশেন।

হুট করে সূর্য ওঠে না।
ঠিক যেমন হুট করে ফোটে না মুখিয়ে থাকা ফুল।
আলোর বেগ নিয়ে আমার স্বভাবতই সন্দেহ জাগে।
আলোকরশ্মি তার আলস্য নিয়ে পাহাড় ডিঙিয়ে অনেক কষ্ট করে আসে।
অন্ধকার আলোর চেয়েও তড়িঘড়ি করে জানি না কোথায় পালায়।
হয়তো উপত্যকার ঘুম ভাঙিয়ে অবশেষে ওর নিজেরই ঘুম পায়!

সকালের হাওয়ায় ধুলো নেই।
ঠিক যেমন বাস্তুহারাদের চালচুলো নেই।
সুন্দরীরা কোথায় ঘুমায়?
এস, যত ঘুরন্ত চাকা থামিয়ে দেই, ব্যাস।
উড়ন্ত পাখিদের বলি বসে থাকো আমার উঠোনে।
এক ছটাক কাঁচা মাটি দিয়ে পেলব হাতে বঁধু বানাও গোলা।
অতঃপর ঘুরুক চাকা, উড়–ক পাখি, পুড়–ক রুপালী মাটির কলস।

আলো ফোটে।
টলটলে দীঘি জেগে ওঠে।
বুক পেতে দেয়।
অজস্র ডিঙ্গি যাবে এখুনি ওপথে।
মাছেরা চোখ পিটপিট করে।
আর মত্সকন্নারা গায়ে আঁশটে গন্ধ নিয়ে আবারো শুরু করে
নষ্ট নাগরিক জীবন।