Blog

ঝঞ্ঝানিল

অদৃশ্য তুমি অন্ধকারের মতোই প্রশস্তি দিতে, দৃশ্যমান তুমি সেতো অসহ্য যন্ত্রণা।
আবারও তুমি পাখি হও; কিংবা কর্পূরের মতো উবে যাও, তবু থেক না এ তল্লাটে!
এর কোনো কারণ নেই, কোনো মানেই হয় না এই নষ্ট পৃথিবীর।
অতৃপ্ত আমি পালাবো কোথায়? কাছে গেলে খসে পড়ে খোলা জানালাও!
কেনই বা ভণিতা দিয়ে ভয়ঙ্কর সুন্দর করেছিলে ভোর?
এরপর ধূমকেতু হয়ে অহেতুক কেনই বা হলে বিষণœ ধূসর!
দিনের আলোয় যদিও বা ছিলে আবডালে, আজ ঘোর রাত্তিরে-
তুমি নেই। তুমি অন্য কোথাও, হয়তো কোনো সয়ম্বরসভায়!
কী প্রয়োজন ছিল গো বালিকা, অসম্ভব এই অগস্ত্য যাত্রার?
দমকা হাওয়ার মতোই আচমকা ঝড়- যৎসামান্য; প্রচণ্ড ব্যথার।
বৈষয়িক প্রেম বুঝি না, বুঝি না আকুতি কিংবা আকণ্ঠ ছলাকলা। বুঝি-
অল্প পৃথিবী আর স্বল্প সময়, পাইনি তোমাকে আর পাবো না কখনোই!
পেয়েছি পতন, শুধু বারবার পড়ে যাওয়া- সেই পুরাতন জলে ভেজা প্রেমে!
অকিঞ্চিৎ আমার হৃদয়ে তুমি- ভরে আছ আজও, ভরা থাক হৃদয় তোমারও…