Blog

গোলাপ ও তার তিনটি কাঁটা

ঐ যে সেবার গোলাপ দিয়েছিলে-বলেছিলে রাখতে বইয়ের ফাঁকে।
সেই গোলাপ শুকিয়ে এখন কাঠ-আনমনে বর্ণমালা আঁকে।
তোমার কি আর মনে আছে প্রিয়া আমার সনে আকাশ পাতাল হাঁটা
একটি মাত্র গোলাপ দিয়েছিলে-দুইটি পত্র তিনটি তীè কাঁটা।
পাতার স্থান আমার চোখের পাতায়-খাতা খুলে লিখেছিলাম চিঠি।
তোমায় লেখা শেষ চিঠিটার সময়-তিনটি কাঁটা সাী ছিল ঠিকই।
বাইরে ছিল মধ্যরাতের তারা-ঘরে আমি,গোলাপ,পাতা,কাঁটা।
হৃদয়তটে তোমার অভিপে-যোগাযোগের নেই কোন রাস্তা।
বেশ করেছ গোলাপ দিয়ে তুমি-ফুল নিতে কারো আপত্তিতো নেই।
ক্যানো দিলে কাঁটা অহেতুক-জানোনা তা অন্তরে হানবেই!
মনকে আমি দিয়েছি সান্ত্বনা-তোমার কাঁটা ধোঁকা দেবার নয়!
হায় ক্যানো ধোঁকা দিলেনা? তবে ধুঁকে ধুঁকে মরতোনা হৃদয়।
কাঁটা ক্যানো আমায় দিলে হায়-প্রেম বুঝি যায় আমার আসংকায়।
এখন ভাবি গোলাপ ক্যানো দিলে-শুকনো গোলাপ কুঁড়ে কুঁড়ে খায়।
ক্যানো দিলে শুধুই তিনটা কাঁটা-ক্যানো তিন সহস্র দিলেনা।
ক্যানো আমায় গোলাপ দিয়েছিলে?
কোটি গোলাপেও তোমায় যে মেলেনা।
আমায় ছেড়ে যাবেই যখন চলে- ক্যানো গো ফুল রাখতে বলেছিলে
ক্যানো পাতায় চেয়েছিলে চিঠি-দুঃখ দিতে ভালবেসেছিলে
আমায় ছেড়ে যাবেই যখন যাও-ক্যানো তুমি সবকে গেলে ছাড়ি
যাবেই যখন আমার কি দোষ ছিল-সংগে নিলে স্বর্গে দিতাম পাড়ি।
আমায় যখন সংগে নিবেই না-ক্যানো তবে বললে ভালবাসি
ক্যানো আমায় আঘাত দিলেনা-শেষ দেখাতে হাসলে ক্যানো হাসি?
তখন হয়তো আঘাত দিলে প্রিয়া-এখন আমি বেঁচে যেতাম প্রানে।
আঘাত না দাও গোলাপ ক্যানো দিলে?
গোলাপের পাঁপড়ি এখন কাঁটার মত হাঁনে!