Blog

অ্যাল্বাকার্কি ১

সূর্যের শহরটা গত কয়েক সপ্তা ধরে দেখছে না সূর্যের মুখ।
মধ্যদুপুরে দেখি আবছা চাঁদের মতো মলিন সূর্য কাঁদে মেঘের আড়ালে।

পাহাড়ি জনপদ শীতলপাটির ‘পর পসরা সাজায় কত উষ্ণ জলের।
ছুটির দিনকে তাই ঘুমের পুরিয়া করে গিলে ফেলি গোগ্রাসে।

পাতাঝরা বিকেল তাই হয় না দেখা, বারান্দায় বিদেশী গাছ এখনো দাঁড়িয়ে।
উজ্জ্বল দিনের সব রং শুষে নিয়ে এখনো সুন্দরী সে পড়ন্ত বিকেলে।

কুমারীর অসমতল বুকের মতন রুজভেল্ট পার্ক যেন এক জাদুর কার্পেট।
আদুরে কুকুরেরা এখানে লুটোপুটি খায় আর ভাবুকেরা বৃক্ষের উচ্চতা মাপে।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে হাজার পাঁচেক ফিট বেরসিক উচ্চতায় বসে থেকে কাঁদে এ শহর।
কারণ তার সবটুকু জল চলে গেছে প্রতিবেশী সূর্যের পেটে, শুধু বেঁচে আছে রিও গ্র্যান্ডে।

সেই কামুক সূর্য আজ কেন এত উদাসীন? ভুলোমন ভুলে গেল পুরনো চুম্বন!
এখনো পড়ে নি শীত, কারণ এখনো টিংলে বীচে উদম হাঁসেরা খেলে জলকেলি!

ডাউন-টাউনের টুপিওয়ালা মস্ত দালানে এখনো জমেনি সাদা তুষার শ্যাওলা!
স্যান্ডিয়ার বুকে এখনো শুরু হয় নি স্কি। তবু কেন মৃত ঠাণ্ডা শহর, এত রাতারাতি!

কেনই বা, সূর্যের শহরটা আজ গত কয়েক সপ্তা ধরে দেখছে না সূর্যের মুখ।
চাতকের মতো বসে আছি, সূর্যস্নানে; নির্লজ্জ অবগাহনে আজ আমিও উন্মুখ!