Blog

অবশ্যম্ভাবী

সে আসবে। সে ঠিকই আসবে। সে আসবে
তার সময় মত। হিসেব করে। হিসাব যন্ত্র টিপে।
সে কারন দর্শায়না, ব্যখ্যা বুঝিয়ে তাকে থামানো
যায়না। সে আসবে। কারন
আসবার জন্য সে দায়বদ্ধ।
এটা তার চিরায়ত খেলা!
বেলা যখন পড়ে যাবে, সূর্যও ডুবে গেলে জ্বলবেনা
বাতাসে কেঁপে ওঠা পলতে জরানো কেরোসিনের
পিদিম। মাটির বর্তিকা। আর
অন্ধকারের বুক চিরে বাঁশের বাগানে
সপ্টিপাতার ফাঁকে না চাঁদ না চাঁয়ের গন্ধ।
অন্ধের মত হাতরিয়ে পাবো একমুঠো কর্পূর।
সে গন্ধে উবে আসে প্রাণ। ঘ্রানহীন বাগানে
নুয়ে পড়ে কামিনী কুইন। ঝড় ঝঞ্ঝার রাত্তিরে
সে এলে পড়ে কেঁপে ওঠে বুকের পাঁজর।
কাম আর প্রেম তখন ফ্রেমে বন্দী ফটোগ্রাফ,
আহারের কথা তখন ুধার্ত হাঙ্গরও ভুলে যায়।
ফুলে আর কি বা আসে যায়!
সাদার শরীরে কেবল পাহাড়ের মত নিশ্চলতা
বরফের মত শৈথিল্য আর
এই শীতে মরে কাঠ হওয়া ছোট্ট পাখিটার
শোকাতুরা পীরমনী। ঘামে কি কখনো
জ্বর ছেড়ে যায়? ছেড়ে যায় ঘাঁটি ছেড়ে
বছরের শেষ জাহাজ। আজ
সে না হলেও কাল সে আসবে ঠিকই।
গুনিনা প্রমাদ। শুনি ডাহুকের সূর।
ও কোকিল! তুমি ডেকোনা আবার।
তোমার শৃঙ্গারে জীবনের তেজ আমি আর
সইতে পারিনা। ঝাঁউবনে, মাটির আঙ্গিনায়
বহুকাল জুড়ে দাড়িয়ে থাকা বন্ধুপ্রতিম বাাঁশঝাড়
তার বিন্দুসম ফাঁকগলে সে আসবে।
যখন তখন। ট্রেনের সময়ের হেরফের হলেও
মৃত্যু তার সময়মতই আসে।