Blog

অনাস্থার স্মারক

হীরক রাজাও মহান ছিলেন- বিকিয়ে দেননি রাজ্য।

বুয়েট ভিসি নজরুল তুমি- কবিতা চিবিয়ে খাচ্ছ!

অন্যায় আর দুর্নীতিতে- নেইকো তোমার জবাব।

রাজনীতির বগলতলে- নিজেকে ভাবছো নবাব!

অনিয়ম তুমি আগেও করেছ- ফসকে গিয়েছ সেবার।

বুয়েট তো আর কুয়েট নয়- কোথায় পালাবে এবার!

ছাত্রনেতার আবদার তুমি- পূরন করেছ হেসে।

আম ছাত্রকে ‘না’ করেছ- ছাগলের মত কেশে!

তোমার মদদে পুষ্ট পশুরা- আহত করেছে ছাত্র।

কোথায় তাদের বিচার হবে- আজ তারা সুপাত্র!

মুজিবের নাম ভাঙ্গিয়ে তুমি- বুয়েটে দিয়েছ নিয়োগ।

পদন্নোতি তোমার হাতে- তোমাতেই জলবিয়োগ!

স্বজনপ্রীতির পতাকা তুমি- শিক্ষার ভানদণ্ড।

ক্ষমতার ন্যাওটা তুমি- প্রকৃত অর্থে ভণ্ড!

প্রতিবাদ যারা করেছে তোমার- তারা নাকি সব জঙ্গি।

পাগলের মত প্রলাপী তুমি- পাওলীর মত ঢঙ্গী!

শিক্ষক সমিতি মানোনা তুমি- মানো যে শুধু লীগ।

মানিনা- বুয়েটের দেয়ালে তোমার- খেয়ালী পানের পিক!

বুঝলে যখন খেপেছে বুয়েট- আচমকা দিলে ছুটি।

আমরা তোমার পরোয়া করিনি- নাড়িয়ে দিয়েছি খুঁটি!

তুমি সার্কাসের দারোয়ান হলে- হাবিবও জোকার বটে।

নিজেই একটা পদ বানিয়ে- বসে আছে হাসি ঠোঁটে!

বিনয়ের তার ছিরে গেছে যার- মুখে রোচে নাকো কথা।

আটান্নজন জ্যেষ্ঠ ডিঙিয়ে- খেয়েছে চোখের মাথা!

আরও একজন ক্ষমতালিপ্সু- হলেন মুনাজ নূর।

যত্রতত্র ছুড়ছে বুলি- মিথ্যাতে ভরপুর!

জব্বার আর মিজানও আছে- ভিসির দাড়িটা ধরে।

হায়রে! তেল চপচপে তোরা- ঘেন্নায় যাই মরে!

বুয়েট তো নয় খেলার পুতুল- শিক্ষা তো নয় খেলা।

বুয়েটিয়ানেরা মানবে কেন- বুয়েটের অবহেলা!

মিডিয়ার কথা বলব কি আর- কিভাবে মুন্নি সাহা-

বুয়েটে ঢোকার পায় অধিকার- মাথায় আসেনা তাহা!

শিক্ষকেরা অনশনে গেলেন- করলেন পদত্যাগ।

এখনো তবুও হলনা সুরাহা- গুছালোনা ভিসি ব্যাগ!

যতক্ষণ না হচ্ছে বিচার- করে যাব প্রতিবাদ।

কলমে কালিতে উপড়ে ফেলব- শোষকের বিষদাঁত!

বুয়েটে কখনোই হয়নি এসব- তোমরা করছো যা।

ভিসি প্রোভিসি তোমাদের প্রতি- জানাই অনাস্থা!